Flag Counter

This is default featured slide 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured slide 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

লিভারকে সুস্থ রাখবে


লিভার মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ এবং একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির লিভারের ওজন ৩ পাউন্ড। দেহের এই লিভার অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কাজের সাথে জড়িত। যেমন- হজম শক্তি, মেটবলিজম, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, দেহে পুষ্টি যোগানো ইত্যাদি। সুস্থ লিভার দেহের রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রন করে, রক্ত থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের করে দেয়, দেহের সকল অংশে পুষ্টি যোগায়। এছাড়াও লিভার ভিটামিন, আয়রন এবং সাধারণ সুগার গ্লুকোজ সংরক্ষন করে।
যেহেতু লিভার আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ তাই যে কোন উপায়ে একে সুস্থ সবল রাখতে হবে। অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন দেহের লিভারের ওপর খারাপ প্রভাব ফেলে। ওজন বৃদ্ধি, হৃদরোগ, দীর্ঘ সময় ক্লান্তি অনুভব করা, হজমের সমস্যা, এলার্জি ইত্যাদি এই সমস্ত অসুখ দেখা দিতে পারে অসুস্থ লিভারের কারণে। তাই দেহ ও লিভার সুস্থ রাখার জন্য চিনে নিন এমন কিছু খাবার যা সুস্থ রাখবে আপনাকে।

রসুন

লিভার পরিষ্কার রাখার জন্য উত্তম খাবার হল রসুন। রসুনের এনজাইম লিভারের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে। এতে আছে আছে আরও দুটি উপাদান যার নাম এলিসিন এবং সেলেনিয়াম যা লিভার পরিষ্কার রাখে এবং ক্ষতিকর টক্সিক উপাদান হতে রক্ষা করে।
  • ১। প্রতিদিন যে কোন সময় ২/৩ টি রসুনের কোয়া খেয়ে নিন।
  • ২। আপনি চাইলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রসুন দিয়ে তৈরি ভিটামিনও খেতে পারেন।

লেবু

লেবুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান দেহের লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এবং ডি লিমনেন উপাদান লিভারে এনজাইম সক্রিয় করে। তাছাড়া লেবুর ভিটামিন সি লিভারে বেশি করে এনজাইম তৈরি করে যা হজম শক্তির জন্য উপযোগী। লেবুর মিনারেল লিভারের নানান পুষ্টি উপাদানগুলো শোষণ করার শক্তি বৃদ্ধি করে। বাসায় লেবুপানি পান করুন এবং যেকোন সময় পানের জন্য লেবুপানি বানিয়ে রাখুন। প্রতিদিন লেবুপানি পান করুন, চাইলে মধুও মিশিয়ে নিতে পারেন।

http://bd-healthcare.blogspot.com/

আপেল

প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খেলে তা লিভারকে সুস্থ রাখে। আপেলের পেক্টিন, ফাইবার দেহের পরিপাক নালী হতে টক্সিন ও রক্ত হতে কোলেস্টরোল দূর করে এবং সাথে সাথে লিভারকেও সুস্থ রাখে। আপেলে আছে আরও কিছু উপাদান- ম্যালিক এসিড যা প্রাকৃতিক ভাবেই রক্ত হতে ক্ষতিকর টক্সিন দূর করে। যেকোন ধরণের আপেলই দেহের লিভারের জন্য ভালো। তাই লিভার সুস্থ রাখতে প্রতিদিন ১ টি করে আপেল খান।

READ MORE : BD Health Care



যৌনাঙ্গ নিয়ে কিছু কথা


মহিলাদের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বাইরে পুরুষের চেয়ে নারীর ব্যক্তিগত কিছু যৌনাঙ্গ রয়েছে, প্রথমত এটি হচ্ছে স্তন বা ব্রেস্ট নারীর স্তন যুগল এক সাথে নারীর ত্বকে ফুটিয়ে তোলার পাশাপাশি এটি যৌন জীবনে এবং মাতৃত্ব কালীন সময়ে বিশেষ ভূমিকা রাখে, নারীর নারীত্ব পূর্ণ মাত্রায় ফুটে উঠে তার স্তনের বিকাশের সাথে সাথে।
পুরুষের নারীর মতো স্তন নেই তবে স্তনের স্পর্শে পুরুষেও আবেদিত বা উত্তেজিত হয়। যৌন জীবনের প্রধান ভূমিকা রাখে নারীর স্তন, স্তনের স্পর্শের দ্বারা নারী সবচেয়ে মৌলিক এবং চূড়ান্ত যৌন উত্তেজনার পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
নারীর পার্শ্ববর্তী যৌনাঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে আবেদনশীল যৌনাঙ্গ হলো তার ভগাঙ্কুর। এটি নারীর বাইরের যৌনাঙ্গ ভগাঙ্কুর বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে যে ভগাংকুরের দৈঘ্য এবং প্রস্থ সব নারীর এক রকম সমান নাও হতে পারে, তবে সব নারীর ক্ষেত্রে ভগাংকুরের স্পর্শের আনন্দ অপরিসীম।
যৌন উত্তেজনার
Add caption

ভগাঙ্কুর এর মাথা নরম চামড়ার দ্বারা বা ত্বকের আবৃত থাকে একে কিটোরাল হুড বা ভগাঙ্কুরের আবৃত মাথা বলা যেতে পারে, এই মাথাকে আস্তে সরিয়ে নিলে লালচে কিংবা সাদা যে নরম মাংসের ছোট পিন্ড দেখা যাবে সেটি হলো ভগাঙ্কুর।
নারী এখানে স্পর্শে আনন্দ অনুভব করে এই আনন্দ চরম পলকের মতো আনন্দ দিতে পারে, কোনো কোনো নারীকে দেখা যায় যে তারা যৌন মিলনের আনন্দের চাইতে ভগাঙ্কুরের স্পর্শে আনন্দ উপভোগ করে বেশি এবং জীবন ব্যাপী তারা যৌন আনন্দ এর মাঝে খুজে পায়।
ভগাঙ্কুরে যদি নিজ হাতে স্পর্শ করে শারীরিক আনন্দ পাওয়া যায় তবে তাকে হস্তমৈথুন বলা যেতে পারে কিন্তু স্বামির যৌন সঙ্গীর স্পর্শে উক্ত শারীরিক আনন্দ পেলে তাকে আউটার কোর্স বা বাইরের যৌনতা বলা হয়।
ভগাঙ্কুরের পরে নারীর পার্শ্ববর্তী যৌনাঙ্গের মধ্যে যৌনির মুখ এবং যৌনির ঠোঁটের ব্যাপারটি চলে আসে, নারীর যোনির অর্থাৎ যৌন মিলনের প্রধান অঙ্গের উপর ভাগে দুটো ঠোঁট থাকে এর একটির নাম ল্যাবিয়া ম্যাজোরা এবং অন্যটির নাম ল্যাবিয়া ম্যানোরা, ল্যাবিয়া ম্যাজোরা হলো অপোকৃত বড় ঠোঁটটির নাম এবং ল্যাবিয়া ম্যানোরা হলো অপোকৃত ছোট ঠোঁটটির নাম।
যৌন উত্তেজনার সময় যোনির এই দুটি ঠোঁট এমনিতে একটু ফাঁক হয়ে যায় বা সরে যায়, ভগাঙ্কুরের নিচে মূত্র নালীর একটি জায়গা আছে এখান দিয়ে নারীর মূত্র ত্যাগ করতে হয়, মোটা-মোটি নারীর পার্শ্ববর্তী যৌনাঙ্গের ধারণা হলো এমন নারীর এই পার্শ্ববর্তী যৌনাঙ্গের পুরো অঞ্চলটিকে বলা হয় ভাবলা এই অঞ্চলে প্রচুর যৌন কেশ বা যৌন লোমের বিকাশ ঘটে।

READ MORE : BD Health Care



আকার কি পরিবর্তন করা যায়?


দি কাউকে প্রশ্ন করা হয় – “আপনি কি আপনার লিঙ্গ লম্বা করতে চান?” প্রায় সবাই উত্তরে বলবে “অবশ্যই চাই!”
যাই হোক, প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/আবিষ্কার আসেলেই হয়নি। তবে এটা সত্যযে – বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, ব্যায়াম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এখন মানুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্ট করে থাকে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাদের কোনটিই হয়তো কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষ লিঙ্গত্থান সমস্যা সহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হন।
ডক্টর মাইকেল ও’লেয়ারী (প্রফেস্যার, হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল। ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) বলেন, “বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় – তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা – এমনকি এখনো এ রকম কোন পদ্ধতি আবিষ্কার-ই হয়নি!”। এরকম আরো কিছু সত্যি কথা জানুন Link লিঙ্ক থেকে।

কত ছোট কে ছোট বলেবেন?

প্রায় অর্ধেক প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ মনে করেন তাদের পুরষাঙ্গ অনেক ছোট। বিশ্বজুড়ে সাধারনত উত্তেজিত লিঙ্গের গড় আকার ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি। তবে লিঙ্গের আকার ব্যাক্তি এবং অঞ্চলভেদে অনেক পাথ্যর্ক দেখা যায়। আমাদের দেশ তথা দক্ষিন এশিয়ার পুরুষের জন্য সর্বচ্চো ৬ ইঞ্চি একটি ভাল আকার। বিরল ক্ষেত্রে পারিবারিক (জেনেটিক) এবং হরমোন জনিত সমস্যার কারনে ৩ ইঞ্চির চেয়েও অনেক ছোট লিঙ্গ দেখা যায়। ঔষধ শাস্ত্রে এটি মাইক্রোপেনিস নামে পরিচিত। তবে অনেকের ক্ষেত্রে প্রোষ্টেইট ক্যান্সার অপারেশান সহ নানা রোগের কারনে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যেতে পারে।

ভুল ধারনা সমুহঃ

– আমাদের মাঝে অনেকেরই একটি ভুল ধারনা আছে যে-অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করলে লিঙ্গের আকার ছোট হয়ে যায়। এটা মোটেও সত্য নয়। আসলে লিঙ্গ প্রাকিৃতিক ভাবে ছোট বা বড় হয়ে যেতে পারেনা। এটি শুধু উত্তেজনার সময় পর্যাপ্ত রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে আকার পরিবর্তন করে।
– অনেক পুরুষ কিংবা নারী পর্ন ফিল্ম দেখে লিঙ্গের আকার এবং মিলেনের সময় নিয়ে নিজের মধ্যে একপ্রকার নেগেটিভ ধারনা করে রাখে। সত্যিকার অর্থে ছবিতে নায়ক তারাই হয় যারা অন্যদের তুলনায় হ্যান্ডসাম হয়। পর্নষ্টারও তার ব্যতিক্রম নয়। পর্নগ্রাফিতে ক্যামেরা এমন এঙ্গেল এ ধরা হয় যাতে ভিজ্যুয়ালী লিঙ্গকে বড় দেখা যায়।
উদাহরন স্বরুপ আপনি যদি কোন একটি উচু স্থানে থেকে নিচে দাড়ানো আপনার কোন বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে তাকে খাটো দেখাবে। তেমনি যদি আপিনি মাটিতে বসে কিছুটা উপরে দাড়ানে অবস্থায় আপনার বন্ধুর ছবি তোলেন তাহলে একই ব্যাক্তিকে অনেক লম্বা দেখাবে। আর সে জন্যই আমরা যখন মাথা নিচু করে আমাদের নিজের লিঙ্গ দেখতে যাই তখন ভিজ্যুয়াল ইল্যুশানের কারনে আমাদের লিঙ্গের আকার প্রকৃত আকারের চেয়ে ছোট দেখা যায়।
এখানে এ বিষয়টি বলে রাখতে চাই – পর্ন ফিল্মে আমরা দেখি একই যুগল ২০/২৫ মিনিট মিলন করছেন। সত্যিকার অর্থে তাদের এই ২০ মিনিট এর মিলন দৃশ্যের শুটিং হয়েছে ২/৩ দিন ধরে। তাদের অনেকবারের মিলনের দৃষ্টিনন্দন অংশগুলো ভিডিও এ্যাডিটে কাট-ছাট করে একটি ক্লিপ বাজারে আসে। তাই পর্ন ফিল্ম দেখে আকার এবং মিলনের সময় নিয়ে আমাদের হতাশ হবার অবকাশ নেই।
 যৌন তৃপ্তির জন্য আকার মুল বিষয় নয়। প্রধান বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে মিলনে এবং সিঙারে আপনার কারুময়তা। আপনি যত বেশি সৃষ্টিশীল পদ্ধতিতে নারীকে “অন” করবেন সে তত বেশি আপনার পার্সোনলিটির প্রতি আবেগী হবে।
নারীর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয় হল – মিলনকালে পেনিট্রেশান (যোনীতে লিঙ্গ প্রবেশ করানো) থেকে সর্ব আনন্দ নিতে হবে তা নয় (শুধু পেনিট্রেশানে কোন পুরুষই নারীকে তৃপ্ত করতে পরেনা) বরং সিঙার (ফোর প্লে) বস্ত্র হরন সহ সকল বিষরের সংমিশ্রনে যৌন মিলনেরে যে প্যাকেজ তা থেকে পরিপুর্ন তৃপ্তি অর্জন সম্ভব। এর জন্য আপনার সঙ্গীর ভাললাগা, তার শরীরের কোন অংশ অতি সংবেদনশীল তা আবিষ্কার করা, যৌন আসনের পরিবর্তন করে যে আসন সর্বচ্চো
কার্যকর তা জানার পর যে কোন যুগল সহজে তাদের শাররীক কাম আগুন নিভাতে সক্ষম হবেন। তাই সম্পর্ক যত পুরোনো – পুর্নতৃপ্তির পরিমানও বেশি হয়। শাররীক মিলন একটি শিল্প – এটা রপ্ত করুন। আপনার নিজের জন্য এবং আপনার সঙ্গীর জন্য।

কিছু পদ্ধতি এবং তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াঃ

শরীরের মেদ কমানোঃ “অনেক পুরুষ যারা ভাবে তাদের পুরুষাঙ্গ স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট – তাদের মেদ সমস্যা আছে” – জেনিফার বর্মন, এমডি, ইউরোলজিষ্ট।
পুরুষের মেদ বাড়ার সাথে সাথে শরীরের ওজন কমালে তলপেটে লুকিয়ে থাকা আপনার লিঙ্গ কিছুটা বড় দেখাবে তবে এটি আপনার লিঙ্গের প্রাকৃতিক আকারকে পরিবর্তন করবে না। 

ক্রিম, ঔষধ এবং যন্ত্রঃ

ভ্যাকুয়াম পাম্পঃ এটি একটি সিলিন্ডারের মত যন্ত্র যা হাওয়া টেনে নেয়। এটি লিঙ্গে স্থাপন করে হাওয়া টেনে লিঙ্গের ভিতর অতিরিক্ত রক্ত জমা করে এবং তার পর একটি রিং দিয়ে লিঙ্গের গোড়ার দিকে বেধেঁ দেওয়া হয় যাতে রক্ত শরীরে ফিরত না যেতে পারে। এর ফলাফল শুধু মাত্র রিংটি খুলে পেলার আগ পর্যন্ত থাকে। এটি যদি ২০ থেকে ৩০ মিনিটের অতিরিক্ত ব্যবহার করা হয় তাহলে লিঙ্গের টিস্যু নষ্ট হয়ে যাবার প্রচুর সম্ভাবনা থাকে।
লিঙ্গের সাথে ওজন ঝুলানোঃ এই পদ্ধতি লিঙ্গের তত একটা আকার পরিবর্তন করেনা – কারন এটি কোন পেশী নয়। তবে এ পদ্ধতিতে আপনি প্রতিদিন ৮ ঘন্টা করে ৬ মাস ওজন বেধে রাখলে আধা ইঞ্চির মত আকার বাড়বে। সাথে টিস্যু ছিড়ে যাবার সম্ভাবনা সহ রক্ত প্রবাহী শিরা নানবিদ সমস্যার সম্মুক্ষিন হতে পারে।
ঔষধ, ক্রিম ইত্যাদিঃ এগুলো কিছুই কাজ করেনা। এটি শুধুমাত্র চটকদার বিজ্ঞাপনের মাঝে সীমাবদ্ধ। বাস্তবে এটি লিঙ্গের আকারে কোন পরিবর্তন আনতে পারেনা।
অস্ত্রপ্রচারঃ পশ্চিমা বিশ্বে অনেকে অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে তাদের যৌনাঙ্গের পরিবর্তন করেন। সাধারনত লিঙ্গের জন্য দুই ধরনের অস্ত্রপ্রচার হয়ে থাকে –
  • লিঙ্গের দৈর্ঘ্য বাড়ানোর জন্যঃ এরজন্য প্রচলিত পদ্ধতি হচ্ছে পিলবিক হাড়ের সাথে লিঙ্গের সন্ধিবন্ধনী কেটে দেয়া। এর ফলে লিঙ্গ এক ইঞ্চির কিছুটা কম শরীর থেকে কিছুটা বাহিরে প্রতিয়মান হয়। তবে এটি লিঙ্গকে অতটা বাহিরে আনেনা যতটা সুপ্ত অবস্থায় লিঙ্গ লুকানো থাকে। এই অপারেশানের পর সন্ধিবন্ধনী যেন পুনরায় জোড়া না লেগে যায় সেজন্য ছয় মাসের মত ওজন ঝুলানো অথবা স্ট্রেসিং যন্ত্র প্রতিদিন ব্যবহার করতে হয়।
  • লিঙ্গের প্রস্থ (পুরুত্ব) বাড়ানোর জন্যঃ যেসকল পুরুষের লিঙ্গ মাত্রাতিরিক্ত চিকন – তারা অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে ইমপ্লান্টেড চর্বি, সিলিকন বা টিস্যু গ্রাফট এর মাধ্যমে লিঙ্গের পুরুত্ব বর্ধন করে থাকে। (চিত্র ৩ এর দ্রষ্টব্য)।
উভয় প্রকার অস্ত্রপ্রচারে প্রায় বিশ মিনিট সময় লাগে। বর্তমান সময়ে অত্যাধুনিক চিকিৎসা যন্ত্র থাকার কারনে আগের তুলনায় এর ঝুঁকি অনেক কমেছে। তবে সবার ক্ষেত্রে এর সফলতা পাওয়া গেছে এমনটিও নয়।
এতক্ষন যা শুনলেন তাতে হয়তো অনেকে হতাশ হয়ে গেছেন। না হতাশ হবার কিছু নেই। চেষ্টা করতে দোষকি? আকার বাড়ুক আর নাই বাড়ুক মানসিক প্রশান্তিতো আসবে নিশ্চিত। নিচে কিছু প্রচলিত ব্যায়াম পদ্ধতি উল্ল্যেখ করলাম – পছন্দসই ব্যায়ামটি আজই শুরু করে দিতে পারেন।
ব্যায়াম / পদ্ধতি ০১:
এটি এমন একটি পদ্ধতি যাতে লিঙ্গের ইরিকট্যাল টিস্যুতে রক্ত ধারন ক্ষমতা ক্রমশঃ বৃদ্ধি পায়। লিঙ্গের টিস্যুতে পরিমান মত রক্ত সঞ্চালন লিঙ্গকে দৃড় এবং আকারে বড় করে। এখানে বলে রাখি, যাদের লিঙ্গে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে তারাই লিঙ্গত্থান সমস্যার শিকার হন। মুলত লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের পদ্ধতিগুলোর মাঝে জিলকিং পদ্ধতিটি বিশ্বজুড়ে সবছে বেশি জনপ্রিয়।
তবে নিচের যেকোন ব্যায়াম করার সময় যৌন বিষয়ক চিন্তা থেকে বিরত থাকবেন। অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন কোন ভাবেই আপনার বীর্যস্থলন হয়ে না যায়। যদি মনে হচ্ছে কামরস এসে যাচ্ছে, তাহলে লিঙ্গ নাড়াচাড়া না করে কিছুক্ষন অন্যমনস্ক থাকুন।

চিত্র- ০১

কিভাবে করবেন?

১) – টয়লেট কিংবা আপনার নিজের রুমের দরজা ভাল করে বন্ধ করে চেয়ার কিংবা চৌকিতে পা ঝুলিয়ে বসুন। অর্থাৎ এমন স্থানে বসবেন না যেখানে সবসময় মনে হবে কেউ এসে যাচ্ছে অথবা দেখে পেলছে।
২) – পরনের কাপড় সরিয়ে আপনার লিঙ্গকে হালকা উত্তেজিত করুন। (এমন ভাবে উত্তেজিত করবেন না যাতে বীর্জ বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে)।
৩) – এবার দুই হাতে হালকা সরিষার তেল কিংবা পার্সোনাল লুব (ঔষধের দোকানে পাওয়া যাবে) লাগিয়ে নিন।
৪) – আপনার বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনী আঙ্গুল এর আগা একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত করুন যাতে মাঝে গোলাকার (যেভাবে আমরা ok sign ইশারা করি) ছিদ্রের মত হয়। এবার এই রকম হাতে লিঙ্গের গোড়ার দিক থেকে লিঙ্গের গা ঘেষে (ছিপে ধরে) লিঙ্গের আগার দিকে হাত সঞ্চালন করুন (যেভাবে গরুর দুধ ধোওয়া হয় অথবা কোন ফাপা নল থেকে সবটুকু তরল বের করার জন্য আমরা যেভাবে গোড়া থেকে আগার দিকে হাত ছালাই)। ডান হাত যখন লিঙ্গের আগার কাছাকাছি যাবে তখন বাম হাত একই ভাবে গোড়া থেকে শুরু করে আগার দিকে নিয়ে যান। এক হাতের একবার করে সঞ্চালন করাকে আমরা এক রিপিট গননা করবো।
৫) – ব্যায়াম শুরুর প্রথম পাঁচ দিন ৪০ বার রিপিট করবেন। >> ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম দিন আরো ৪০ রিপিট বাড়াবেন, অর্থাৎ ৮০ প্রতিদিন ৮০ বার করে। ১১তম থেকে ১৫তম দিন ১২০ বার করে। ১৬তম থেকে ২০তম দিন ১৬০ বার করে। ২১তম দিন থেকে পরবর্তী দিনগুলো সর্বনিম্ন প্রতিদিন ২০০ বার এ ব্যায়াম করতে হবে। আনুমানিক ২ মাস এ ব্যায়াম সপ্তাহে ৬ দিন (একদিন সাপ্তাহিক বিরতী দিতে হবে) করে করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

ব্যায়াম / পদ্ধতি ০২:

কিভাবে করবেন?
এ পদ্ধতিটি অনেকটা আগের পদ্ধতির মতই। তবে পার্থক্য হল এ পদ্ধতিটিতে গোড়া থেকে আগার দিকে গিয়ে লিঙ্গের মাথায় গিয়ে কিছুক্ষন (৬/৭ সেকেন্ড) চেপে ধরে রাখতে হবে –
  • টয়লেট কিংবা আপনার নিজের রুমের দরজা ভাল করে বন্ধ করে চেয়ার কিংবা চৌকিতে পা ঝুলিয়ে বসুন। অর্থাৎ এমন স্থানে বসবেন না যেখানে সবসময় মনে হবে কেউ এসে যাচ্ছে অথবা দেখে পেলছে।
  • পরনের কাপড় সরিয়ে আপনার লিঙ্গকে হালকা উত্তেজিত করুন। (এমন ভাবে উত্তেজিত করবেন না যাতে বীর্জ বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে)।
  • এবার দুই হাতে হালকা সরিষার তেল কিংবা পার্সোনাল লুব (ঔষধের দোকানে পাওয়া যাবে) লাগিয়ে নিন।
  • আপনার বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনী আঙ্গুল এর আগা একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত করুন যাতে মাঝে গোলাকার (যেভাবে আমরা ok sign ইশারা করি) ছিদ্রের মত হয়। এবার এই রকম হাতে লিঙ্গের গোড়ার দিক থেকে লিঙ্গের গা ঘেষে (ছিপে ধরে) লিঙ্গের আগার দিকে হাত সঞ্চালন করুন (যেভাবে গরুর দুধ ধোওয়া হয় অথবা কোন ফাপা নল থেকে সবটুকু তরল বের করার জন্য আমরা যেভাবে গোড়া থেকে আগার দিকে হাত ছালাই)।
  • লিঙ্গের আগার কাছাকছি হাত পৌছালে লিঙ্গকে কিছুক্ষন চেপে ধরে রাখুন। তারপর ডান হাত ছেড়ে দিয়ে বাম হাত একই ভাবে গোড়া থেকে শুরু করে আগার দিকে নিয়ে যান। এবং এই হাতটিও কিছুক্ষনের জন্য অগ্রভাগে ধরে রাখুন। এক হাতের একবার করে সঞ্চালন করাকে আমরা এক রিপিট গননা করবো।
  • ব্যায়ামটি প্রতিদিন ৪০ বার রিপিট করবেন।
ঝাকুনী পদ্ধতিঃ
এ পদ্ধতিও জিলকিং পদ্ধতির মত লিঙ্গের টিস্যুতে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে।
কিভাবে করবেন?
  • লিঙ্গকে কিছুটা উত্তেজিত করুন। (৩০ থেকে ৪০ % উত্তেজনা এ ব্যায়ামের জন্য ভাল)।
  • লিঙ্গের গোড়ার দিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী ও তর্জনী দিয়ে আংটা (রিং) বানিয়ে চেপে ধরুন।
  • এবার লিঙ্গকে গোড়ালী থেকে ঝাকুনি দিন (যেভাবে স্কুলের শিক্ষকরা বেত দিয়ে পিটান ঠিক সেই রকম ভাবে হাওয়ায় লিঙ্গকে ঝাকুনি দিন)।
  •  ব্যায়ামটি প্রতিদিন ৪০ বার রিপিট করবেন।
চিত্র- ০৩

পরিশিষ্টঃ

সমীক্ষা মতে প্রায় সব মহিলারা তাদের পুরুষ সঙ্গির প্রেম-অঙ্গ নিয়ে পরিতৃপ্ত। তাই অযথা চিন্তা আর হাতুড়ে ডাক্তারের শরনাপন্ন হয়ে পয়সা নষ্ট ও দুশ্চিন্তা বাড়ানো থেকে বিরত থাকুন। পরীক্ষায় প্রমানীত হয়েছে নারীদের যৌন তৃপ্তির জন্য মাত্র ৭.৪ সেঃমিঃ অর্থৎ ৩ ইঞ্চি লম্বা লিঙ্গ যথেষ্ট। (কারন নারীর জি-স্পট যৌনাঙ্গের সর্বচ্চ ৫ সেঃমিঃ ভিতরে অবস্থিত)।
যৌন আনন্দ দানের জন্য আকার নয় – আপনার মিলন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনুন। বিভিন্ন আনুষাঙ্গিক দিক যেমন স্বামী-স্ত্রীর সাংসারিক সু-সম্পর্ক তৈরি করুন। স্ত্রীকে তার ঘরের কাজে সাহায্য করুন। যে পুরুষ স্ত্রীকে ঘরের কাজে সাহায্য করে তার সাথে যৌন মিলনে অন্য যুগলের চেয়ে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে। আমাদের দেশের নরীরা ওতটা উচ্চাভিলাসী নয়।
আপনি তাকে খুশি করার জন্য সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড নিতে হবেনা। সে আপনার সাথে ফেন্টসী কিংডম, কক্সবাজার কিংবা কুয়াকাটায় গিয়ে তার আবেগের প্রবলতায় আপনার প্রতি অন্ধ মোহে জড়াবে। ভালবাসার শক্তিকে কাজে লাগান। নিজের আকার নিয়ে চিন্তিত হবার কোন অবকাশ রাখবেন না।

READ MORE : BD Health Care





বিব্রতকর সমস্যা ও কিছু সমাধান


১) পিরিয়ডের সময়ে টয়লেট হ্যাবিট পরিবর্তিত হয় কেন?

এ সময়ে শরীরে প্রোস্টাগ্লান্ডিস নামের হরমোন জাতীয় এক ধরণের রাসায়নিক জিনিসে পরিবর্তন আসে। পিরিয়ডের শুরুর দিকে এর কারণে মেয়েদের ইউটেরাস সংকুচিত হতে থাকে এবং এর ফলেই ব্যাথা হতে পারে।
প্রোস্টাগ্লান্ডিস আমাদের হজমতন্ত্রেও পরিবর্তন আনে। এর কারণে আমাদের ঘন ঘন টয়লেটে ছুটতে হতে পারে। আবার এটা কম হলে আমাদের কোষ্ঠকাঠিন্ও হতে পারে। তবে পিরিয়ডের সময়ে যদি আপনার মল পিচ্ছিল মনে হয় তাহলে অবশ্য আপনার ডাক্তারের কাছে যাওয়াই ভালো কারণ এটা অন্য কোনো সমস্যার নির্ধারক।

২) টক্সিক শক সিনড্রোম নিয়ে কি চিন্তিত হওয়া দরকার?

অনেকেই জানেন, যে পিরিয়ডের সময়ে প্যাড বা ট্যাম্পন সময়মত পরিবর্তন না করলে টক্সিক শক সিনড্রোমের কারণে হাসপাতালে ছুটতে হতে পারে। এর উপসর্গ হতে পারে বেশ জ্বর, লো ব্লাড প্রেশার, বিভ্রান্তি এবং এনার্জির কমতি। এ থেকে খুব দ্রুতই কোমা, অর্গান ফেইলিওরের মত ভয়ংকর সব সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনি যদি মনে করেন আপনার এমন কোনো সমস্যা হতে পারে, তাহলে খুব দ্রুত ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
http://bd-healthcare.blogspot.com/

৩) পিরিয়ডের সময়ে যৌনাকাঙ্ক্ষা বেশি হয় কেন?

এই প্রশ্নের আসলে একটা নয়, বেশ কিছু উত্তর আছে। পিরিয়ডের সময়ে কারও কারও যৌনাকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। কিন্তু কারও কারও ক্ষেত্রে এটা একেবারেই দেখা যায় না। এটা এস্ট্রাডিওল নামের একটা প্রাইমারি সেক্স হরমোনের কারণে হতে পারে। প্রোজেস্টেরনেরও কিছু ভূমিকা থাকতে পারে এর পেছনে। পিরিয়ডের সময়ে একজন নারীর শরীরে ইস্ট্রোজেন লেভেল অনেক কম থাকে, কিন্তু টেস্টোস্টেরোনের লেভেল থাকে বেশি। টেস্টোস্টেরোন নারীর যৌনাকাঙ্ক্ষার সাথে সম্পর্কিত। এ কারণে ইস্ট্রোজেন কমে টেস্টোস্টেরোন বেড়ে গেলে তাদের যৌনাকাঙ্ক্ষা বেড়ে যেতে পারে।

৪) পিরিয়ডের সময়ে আমাদের মেজাজ এত ওঠানামা করে কেন?

PMS বা প্রি মেন্সট্রুয়াল সিনড্রোম আসলে অনেকগুলো, এর মাঝে একটি হলো মেজাজের ওঠানামা। হঠাৎ করেই দুঃখ, বিষণ্ণতা, রাগ আপনাকে ছেঁকে ধরতে পারে। আবার আবেগ বেশি হতে পারে, এক মেজাজ থেকে আরেক মেজাজে চলে যেতে পারেন দ্রুতই। এর পাশাপাশি দেখা যায় শরীর ফুলে যাওয়া এবং মাথাব্যাথার মত সমস্যাগুলো। কারণ পিরিয়ডের সময়ে শরীরে থাকা হরমোনগুলো মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারকে প্রভাবিত করে। এসব সমস্যা কম রাখতে আপনার খাদ্যভ্যাস রাখা উচিৎ স্বাস্থ্যকর।

৫) প্যাড এবং ট্যাম্পন ছাড়া আর কী কী উপায় আছে?

বাংলাদেশে অনেক নারীই এখন স্বাস্থ্যকর স্যানিটারি ন্যাপকিন ব্যবহার করেন। ট্যাম্পনও অনেকে ব্যবহার করেন। পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে বারবার ব্যবহার করা যায় এমন মেন্সট্রুয়াল কাপ পাওয়া যায়।

৬) হেভি ব্লিডিং মানে আসলে কতো বেশি?

পিরিয়ডের সময়ে সাধারণ একজন নারী ৮-১৪ চা চামচ রক্ত হারান। এতে প্রতিদিন আড়াই টেবিল চামচের মত রক্তক্ষরণ হয়। তবে প্রতি নারীর জন্যই এটা আলাদা হয়। কিন্তু আপনার যদি হেভি ব্লিডিং হয় তবে ভেতরে কোনো সমস্যা থাকতে পারে। হেভি ব্লিডিং এর পাশাপাশি যদি মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি বা অতিরিক্ত পেট ব্যাথা থাকে তবে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ। রক্তক্ষরণের পেছনে অবশ্য মেনোপজ বা প্রেগনেন্সিরও ভূমিকা থাকতে পারে।

৭) পিরিয়ড সাইকেলে সমস্যা দেখা দিচ্ছে, কী করা উচিৎ?

আপনার স্বাভাবিক পিরিয়ডের সময়ে যদি কোনো সমস্যা দেখা যায়, পিরিয়ড যদি মিস করেন, অথবা খুব বেশি সময় ধরে পিরিয়ড চলে তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ।
আপনার বয়স যদি কম হয়ে থাকে এবং এখনো আপনি জানেন না পিরিয়ডের ক্ষেত্রে কোন ব্যাপারটা স্বাভাবিক এবং কোনটা অস্বাভাবিক, তাহলে ডাক্তার না হলেও এ ব্যাপারে জানে এমন কাউকে জিজ্ঞেস করতে পারেন। আর আপনি যদি যথেষ্ট জানেন নিজের পিরিয়ডের ব্যাপারে, তাহলে অস্বাভাবিক কিছু দেখলে তা ডাক্তারের কাছে চেক করে নেয়াই ভালো। আপনার শরীর নিয়ে আপনার লজ্জিত হবার কিছু নেই, লুকানোরও কিছু নেই। ঈশ্বরপ্রদত্ত এই শরীরকে সুস্থ রাখা আপনারই কর্তব্য।

READ MORE: BD Health Care

সুন্দর ও আকর্ষণীয় পেশী তৈরি


আপনি যদি সুন্দর পেশী তৈরি করতে চান তাহলে প্রতিদিন আপনাকে শরীরচর্চার উপর মনযোগী হতে হবে। শুধু শরীরচর্চার মাধ্যমে সুগঠিত পেশী তৈরি সম্ভব না! আপনাকে সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।
প্রতিদিন আপনি রুটিন মাফিক যে সব খাবার খান এবং শরীরচর্চার পর আপনি যে খাবার গ্রহন করেন তা তৎক্ষণাৎ আপনার পেশী নির্মাণে ভূমিকা রাখে। পেশী নির্মাণে এবং শরীরের চর্বি কমাতে হলে আপনাকে একটি পরিপূর্ণ ডায়েট অনুসরণ করতে হবে। আপনাকে অবশ্যয় প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহন করতে হবে।
আপনার আকর্ষণীয় পেশী তৈরির এর জন্য অন্যান্য পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার যেমন- ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, কপার, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রণ এবং বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ আছে এমন খাবার গ্রহন করতে পারেন। চলুন জেনে নেই পেশী তৈরিতে সহায়ক কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নেই-

http://bd-healthcare.blogspot.com/

ডিম

ডিম খুব পরিচিত খাবার যা আমাদের দেশে সর্বত্র পাওয়া যায়। ডিমের সাদা অংশে প্রোটিন থাকে। যা সুস্থ মাংস পেশী তৈরিতে সহায়ক। আকর্ষণীয় পেশী তৈরিতে যে ৯টি অমিনো এসিড প্রয়োজন তা ডিমে প্রচুর পরিমাণে থাকে। এ ছাড়া ডিমে উচ্চমানের প্রোটিন ক্যালসিয়াম, জিংক, ও আয়রন এর মত মূল্যবান খনিজ পদার্থ থাকে।
ডিমের কুশুমে ই, কে, বি১২, Riboflavin এবং ফলিক এসিড সহ বিভিন্ন ভিটামিন উপস্থিত থাকে। এই সব পুষ্টি আপনার পাকস্থলী সঞ্চালনে এবং শরীরের চর্বিকে শক্তিতে রূপান্তর করবে। স্বাস্থ্যকর পেশী নির্মাণের জন্য প্রতিদিন এক থেকে ২টি ডিম  খাদ্য তালিকায় রাখুন। আপনি বিভিন্ন উপায়ে ডিম খেতে পারেন যা আপনাকেপেশী সুগঠনে সহায়তা করবে। সিদ্ধ ডিমে সাদা অংশ আপনার পেশী নির্মাণে সহায়ক।

মুরগির সিনার মাংস

চর্বিহীন পেশী পেতে অসাধারণ খাদ্য হল মুরগির সিনার মাংস। এটা চর্বিহীন প্রোটিনের একটি বড় উৎস যা সহজেই পেশির টিস্যু এবং অতিরিক্ত শরীর চর্চার সময় ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভাজা মুরগির সিনার মাংস খাওয়ার মাধ্যমে আপনার শরীরের চর্বিহীন পেশী এবং সুস্থ বডি পাওয়ার দারুন সুযোগ থাকে।
এছাড়া আপনি মুরগির মাংস সূপ এবং সালাদের সাথে খেতে পারেন এতে ভালো উপকার পাবেন।  অবশ্যয় মুরগি চামড়া ছাড়া খেতে হবে। কারণ চামড়াতে প্রচুর চর্বি থাকে।

পেশী গঠনে দুধ

দুধের উপকারিতার কথা কি বলব!! সুস্থ পেশী গঠনে দুধের ভূমিকা অতুলনীয়। দুধের মাঠা এবং ছানায় আছে ২টি উচ্চমাত্রার প্রোটিন। মাঠার প্রোটিন দ্রুত অ্যামিনো এসিডকে বিভাজিত করে যা রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে। ছানা ধীরে ধীরে হজম হয় এবং শরীরকে একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য ছোট পরিমাণে প্রোটিন সরবরহ করে।
দুধে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট থাকে যা পেশী নির্মাণে সহায়তা করে। প্রতিবার ব্যায়াম এর পর ১ গ্লাস সর পড়া দুধ পান করুন। কিছু সমীক্ষায় চকলেট দুধ পান করার পরামর্শ পাওয়া যায় কারণ এতে কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন থাকে। কিন্তু এটা মাঝে মাঝে খাওয়া উচিত।

রুই মাছ

মাছ এর মধ্যে রুই পেশী নির্মাণে সবচেয়ে ভালো খাবার বলে বিবেচনা করা হয়। রুই মাছ চর্বিহীন পেশী নির্মাণ করতে। এবং এতে উচ্চমানের প্রোটিন থাকায় অন্যান্য সমন্বয় ফ্যাট কমাতে সহায়তা করে কারণ এতে চেইন ওমেগা-৩ ফ্যাট, EPA এবং DHA ও ভিটামিন বি উপস্থিত থাকে।
এতে ম্যাগনেসিয়াম, সেলেনিয়াম, ক্যালসিয়াম, ও আয়রন এর মত অন্যান্য পুষ্টি আছে যা চর্বিহীন পেশী গঠনে এবং পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। সপ্তাহে এক থেকে ২বার সালাদ বা সবুজ শাকসবজির সাথে ভাজ রুই মাছ খাওয়া যেতে পারে। আপনি মাছ পছন্দ না করলে মাছের তেল রান্নার সময় ব্যবহার করতে পারেন।


READ MORE: BD Health Care

Slim হতে চান?


Slim হতে চান সবাই। কিন্তু বহু চেষ্টা করেও যারা ওজন কমাতে পারছেন না, তারা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক স্লিম হতে পারেন পোশাক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। এখানে নিজেকে slim দেখাতে পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৭টি পরামর্শ দেওয়া হলো। বাড়িতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে পরখ করে দেখতে পারবেন।

মেনে চলুন পোশাকের এই নিয়ম গুলো




১. কালো রং নির্বাচন করুন : যেকোনো দেহকে চিকন করে দেয় কালো পোশাক। যেকোনো ধরনের কালো পোশাকেই স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি স্লিম দেখাবে আপনাকে। এ কারণেই বহুকাল ধরে মানুষের কাছে কালো পোশাকের এতটা আবেদন। তাই চিকন হতে এই পরামর্শটি একেবারে মৌলিক।

২. হিল জুতো পরুন : হিল জুতো নারীদের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে অনন্য। এটি একাধারে আপনাকে লম্বা এবং চিকন করে দেবে। হিল জুতো পরার সঙ্গে সঙ্গে আপনার অবয়বটাই বদলে যাবে যা আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।

৩. আকৃতিকে কাজে লাগান : মোটা বা চিকন যেমনই হোন না কেনো, নারীসুলভ আকৃতি রয়েছে আপনার। এর বিশেষত্বকে কাজে লাগান। যেমন- যদি আপনার কোমর বেশ সরু হয় তবে তা ফুটিয়ে তুললে বেশ চিকন দেখাবে আপনাকে। যদি ভারী নিতম্ব হয়, তবে নিচের অংশে একটু ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে যেনো তা চোখে না লাগে।
৪. আনুভূমিক স্ট্রাইপ ও বড় প্রিন্ট এড়িয়ে চলুন : দেহের সঙ্গে আনুভূতিক স্ট্রাইপের পোশাক আপনাকে আরো মোটা করে দেবে। তা ছাড়া বড় বড় প্রিন্টের পোশাকও স্থূল করে দেয় দেহকে। তাই সরু এবং উলম্ব স্ট্রাইপের পোশাক পরুন। তা ছাড়া কোনো প্রিন্ট খাপ খাচ্ছে কিনা তা জেনে নিতে পারেন ফ্যাশন সচেতন কোনো বন্ধুর কাছ থেকে।
৫. ডার্ক ওয়াশ জিন্স পরুন : জিন্সে স্লিম দেখাতে হলে ডার্ক রংয় বেছে নিন। কারণ হালকা রংয়ের জিন্সে আপনাকে মোটাসোটা দেখাবে। তাই জিন্স কেনার সময় সাবধান।
৬. অ্যাক্সেসরিজের ব্যবহার : গহনাসহ সাজসজ্জার বিভিন্ন অ্যাক্সেরসরিজের ব্যবহারে নিজের দেহে স্লিম ভাব ফুটিয়ে তুলতে পারেন। সহজে চোখে পড়ে এমন নেকলেস বা দুল পরতে পারেন। এতে মানুষের চোখ আপনার গহনার দিকে বেশি থাকবে।
৭. পিছ পা হবেন না : মোটা দেহকে স্লিম দেখানোর কাজ থেকে পিছ পা হবেন না। দেহ কমানোর জন্য বিভিন্ন ব্যায়াম চালিয়ে যান। এ ছাড়া এসব পরামর্শ প্রয়োগ করতে থাকুন। হতাশ হয়ে সব বন্ধ করে দিলে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলবেন।


Read more:  
BD Health Care

স্প্রে বাড়াবে যৌন উত্তেজনা!


নারীর যৌন ইচ্ছা জাগাতে পুরুষকে আর কাঠখড় পোড়াতে হবে না। সুন্দরীর নজর কাড়তে এবার স্রেফ আঙুলের চাপেই হবে কেল্লাফতে। বাজারে আসছে 'লাভ হরমোন' যুক্ত বিশেষ ন্যাসাল স্প্রে। মেয়েদের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে হরমোনের সাহায্যে তৈরি হয়েছে বিশেষ এই স্প্রে। চলতি কথায় 'লাভ হরমোন' বা অক্সিটোসিন। স্বাভাবিক অবস্থায় মস্তিষ্কে এই হরমোনের ক্ষরণেই নারী-পুরুষের মনে পারস্পরিক প্রেমের উত্‍পত্তি হয়। এবার কৃত্রিম অক্সিটোসিন ব্যবহার করে অসাধ্য সাধন করেছেন রসায়নবিদরা। জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এমনই এক নাকে দেওয়ার স্প্রে আবিষ্কার করেছেন যা পুরুষের প্রতি নারীদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম। বছর কুড়ির মোট ৪৬ জন নারীর উপর এই স্প্রে পরীক্ষা করে হাতেনাতে ফল মিলেছে। এই স্প্রে-তে রয়েছে সিন্টোসাইনন নামে এক কৃত্রিম অক্সিটোসিন। তবে শুধু মাত্র যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি করাই নয়, অক্সিটোসিনের ক্ষরণে মা ও শিশুর মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এমনকি গর্ভবতীর স্তনে নবজাতকের একমাত্র খাদ্য মায়ের দুধও তৈরি হয় এই হরমোনের উপস্থিতিতেই। তবে গবেষকদের দাবি, নারীর যৌন ইচ্ছা জাগাতে শুধু একটি ক্ষেত্রেই অক্সিটোসিন সমৃদ্ধ এই ন্যাসাল স্প্রে ব্যর্থ। কী সেটা? গবেষকরা বলছেন, যে সমস্ত নারী নিয়মিত গর্ভ নিরোধক পিল খান, তাঁদের ওপর ওষুধটি একেবারেই কাজ করে না।

 বিডি-প্রতিদিন/২২ জানুয়ারি ২০১৬/ এস আহমেদ



 - See more at: BD Health Care